মানুষ্যদেহে বিকিরনের প্রভাব কী? বাস্তুশাস্ত্রের এ বিষয়ে অভিমত কী?

 
উত্তরঃ বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের প্রতিটি বস্তু থেকেই যার যার নিজস্ব তরঙ্গে প্রতিনিয়ত শক্তি বিকিরণ হয়।বেবলমাত্র কঠিন, তরল , গ্যাসের থেকেই নয়, প্রতিটি অনূ, তন্তু ও কোষ তেকেও শক্তি বিকিরিত হয়।কিছু বস্তু থেকে বিকিরিত হয় ধনাত্মক শক্তি, আবার কিছু থেকে ঋণাত্মক শক্তি।যে সমস্ত বস্তু থেকে ধনাত্মক শক্তি বিকিরিত হয় সেগুলি উপকারী।আর যে সমস্ত বস্তু থেকে ঋণাত্মক শক্তি বিকিরণ হয় সেগুলি ক্ষতিকর।বস্তু থেকে বিকিরিত ক্ষতিকর শক্তিকে কেমনভাবে প্রতিহত করা যায় তারও নির্দেশ আছে বস্তুশাস্ত্রে।সেটিই বাস্তুকলা।আমাদের চারপাশে যে সমস্তু বস্তু বিরাজ করে তার মধ্যে বেশ কিছু ধনাত্মক শক্তিসম্পন্ন এবং বেশ কিছুর রয়েছে ঋণাত্মক শক্তি।আমরা আগেই বলেছি ঋণাত্মক শক্তিসম্পন্ন বস' ক্ষতিকারক।কাজেই এই ঋণাত্মক শক্তিসম্পন্ন বস্তুগুলিকে পরিহার করে চলা উচিত।ধনাত্মক শক্তিসম্পন্ন বস্তুর উদাহরণ হল - পিতল, কাচ, চিনামাটি, সিরামিক, বেশ কিছু পাথর, সুরকি, কাঠ, গাছপালা ইত্যাদি।আর ঋণাত্মক বস্তু সকল হল লোহা, অ্যাক্রিলিক, পলিথিন, নাইলন, পিভিসি, সিন্থেটিক ভিনাইল, গ্রানাইট ইত্যাদি।এই ঋণাত্মক বস্তুসকল পরিহার করলে ভাল।আর ধনাত্মক বস্তুসকল জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই উপকারী।ঋণাত্মক শক্তি সিরোটিনিন ও হিস্টামাইন উৎপন্ন করে মানবদেহে।যার ফলে অসুস্থতা সৃষ্টি হয় এবং জীবনীশক্তি কমিয়ে দিয়ে হতাশা বাড়ায়।

বাড়ি বা ফ্ল্যাটের মূল কাঠামো অপরিবর্তিত রেখে শুধুমাত্র ধনাত্মক বস্তুসকলের ব্যবহার বাড়িয়ে এবং অভিজ্ঞ বাস্তুশাস্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী চললে জীবনের সুখ-সমৃদ্ধি অক্ষুন্ন থাকে।তাই মানুষ্যদেহে বিকিরণের প্রভাব অসীম।