প্রাচীনকালে রাজারাজড়ারা তাঁদের সাফল্যের জন্য বাস্তু অনুসরণ করতেন কি?

 
উত্তরঃ পুরাকাল থেকেই বাস্তু অনুসৃত হয়ে আসছে।রাজপ্রাসাদের বাস্তু এই শাস্ত্রের একটি আলাদা অধ্যায়।বাস্তু না মেনে রাজপ্রাসাদের যে কিছুই হত না তা জানাতে এই বিশাল অধ্যায় থেকে কেবলমাত্র রাজপ্রাসাদের বিভিন্ন বিভাগের কিছু নমুনা দেওয়া যাক।সে আমলের রাজপ্রাসাদের মোটামুটিভাবে যে সব আলাদা আলাদা অঞ্চল, কক্ষ ইত্যাদি চিহ্নিত করা হত সেগুলি হল: রাজভবন, ব্রহ্মপীঠ, মহিষীগৃহ, অভিষেকমণ্ডপ, আয়ূধালয় (অস্ত্রশালা), ধনালয় (কোষাগার), রত্ম-হেমাদিকালয়, ভোজন মণ্ডপ, পাকনালয় (রসুইঘর), পুষ্করিণী, কঞ্চুক্যালয় (চাকরবাকরদের বাসস্থান), পুষ্পমণ্ডপ, সূতিকামণ্ডপ (আঁতুড়ঘর), দাসদাস্যালয়, শয়নালয়, রাজকন্যাকালয়, গজালয় (হাতির থাকার জায়গা), অশ্বালয় এবং রক্ষকাবাস।রাজপ্রাসাদের অভ্যন্তরে থাকতো এই সব আলাদা আলাদা আবাস।এর বাইরে ছিল বহিঃশালা বা প্রাসাদের বাইরের দিকে যুবরাজালয়, আস্থান মণ্ডপ, পুষ্পোদ্যান, নৃত্যাগার, পুরোহিতালয়, ধেনুশালা, রহস্যবাসমণ্ডপ (লুকানো ঘর বা গুপ্ত ঘর), সন্ধিবিগ্রহ মণ্ডপ, কারাগৃহ, রঙ্গমণ্ডপ, বৈদ্যশালা বা চিকিৎসাগৃহ, জলগৃহ, সভাগৃহ, ক্রীড়াঙ্গন, সঙ্গীতাশালা, দূতাবাস প্রভৃতি।