বিশ্ব পরিস্থিতি ১৪১৯


১৪১৯ বঙ্গাব্দে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিল ২০১২ হতে ১৩ই এপ্রিল ২০১৩ পর্যন্ত।

বি: দ্র: লিখিত বর্ষফল এর ভবিষ্যৎ বাণী ১৪ই এপ্রিল ২০১২ ------- ১৩ই এপ্রিল ২০১৩ এর মধ্যে ঘটবে।আমরা দুটি শব্দ ব্যাবহার করি না, আর তা হল – হতে পারে--- ,হওয়ার সম্বাবনা।

১লা বৈশাখ ১৪১৯ বঙ্গাব্দ অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিল ২০১২ ভোর ০৬ টায় বাংলাদেশের আকাশে গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থান রবি মেষ রাশিতে ১নং অশ্বিনী নক্ষত্রে।বৃহস্পতি মেষ রাশিতে ভরণী নক্ষত্রে।শুক্র ও কেতু বৃষে ৪ নং রোহিনী নক্ষত্রে।সিংহ রাশিতে বক্রী মঙ্গল ১০নং মূলা নক্ষত্রে তুলাতে শনি বক্রী অবস্থায় ১৪নং চিত্রা নক্ষত্রে।বৃশ্চিক রাহু অনুরাধা নক্ষত্রে মকরে চন্দ্র, কুম্ভে নেপচুন ২৪নং শতভিষা নক্ষত্রে।ধনুতে প্লুটো ২০নং নক্ষত্রে বুধ ও ইউরেনাস মীন রাশিতে ২৬ নক্ষত্রে।

মঙ্গল ও শনি ব্যতিত অন্যান্য গ্রহ মার্গী (বক্রী নন)।অগ্ন্যাদি রাশ্যাশ্রিত হয়ে গ্রহবৃন্দ ভিন্ন ভিন্ন নক্ষত্রশ্রেয় করতঃ যোগ, দৃষ্টি, প্রেক্ষা ও গোচর জনিত আবেশে ফলদাতার ভূমিকায় আসীন।

নির্জল রাশি মেষস্থ বায়ুনাড়ীগত দহন নাড়ীর অধিপতি শুষ্কগ্রহ রবি, নির্জল রাশি মেষস্থ দহন নাড়ীগত সৌম্য নাড়ীর অধিপতি সাম্য গ্রহ বৃহস্পতি শুক্রের নক্ষত্রে।অমৃতা নাড়ীযুক্ত কেতু ও শুক্র গ্রহ বৃষে, নির্জল রাশি সিংস্থ সৌম্য নাড়ীগত চন্ডা নাড়ীর অধিপতি অগ্নিগ্রহ মঙ্গল বক্রী।

সজল রাশি তুলাস্থ দহন নাড়ীগত বায়ুনাড়ীর অধিপতি শনিগ্রহ বক্রী।সজল রাশি বৃশ্চিকস্থ চন্ডা নাড়ীর অধিপতি (কিছুটা সৌম্যযুক্ত) রাহু, চন্ডা নাড়ীগত রুদ্র Pluto নির্জল রাশি ধনুতে দহন নাড়ীগত।অমৃত নাড়ীর অধিপতি সজল গ্রহ চন্দ্র জলা নাড়ীগত বায়ুনাড়ীর অধিপতি শুষ্ক গ্রহ চন্দ্র জলা নাড়ীগত বায়ুনাড়ীর অধিপতি শুষ্ক গ্রহ শনির অধিপতি, রাশি মকরে; কুম্ভে নেপচুন ও জলজ রাশি মীনে বুধ গ্রহ বায়ু নাড়ীগত জলানাড়ীর অধিপতি সাম্য গ্রহ বুধ অতিবাত নাড়ীর অধিপতি ইউরেনাস সহযোগে।এছাড়া ত্রিনাড়ী চক্রানুসারে আদ্যনাড়ীগত বক্রী মঙ্গল, মধ্যনাড়ীগত বক্রী শনি, শুক্র, কেতু, অস্ত্য নাড়ীগত অন্যান্য গ্রহবৃন্দ।

উপরোক্ত রাশিচক্রে গ্রহ সন্নিবেশ, যুতি, গ্রহের দৃষ্টি, প্রেক্ষা ও গোচর সাযুজ্যে রাশি চক্রের ৪টি তত্ত্ব ও তিনটি শক্তি অতীব উত্তেজক তার উপর বর্ত্তমান বর্ষে (১৪১৯) From 14th April-2012 to 13th April 2013 রবি রাজা, বুধ মন্ত্রী, শনি জলাধিপতি, মঙ্গল শস্যাধিপতি এবং ৬ই জুন ২০১২ বুধবার সূর্য্য বিম্বের উপর দিয়ে শুক্র গ্রহের অতিক্রম করবে যাহা বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে।২১শে মে ২০১২ বলয় গ্রাস দৃশ্য সূর্য্যগ্রহণ গ্রাসমান ০.৯৪৬।৪ঠা জুন ২০১২ সোমবার আংশিক গ্রাস চন্দ্র গ্রহণ (বাংলাদেশ অদৃশ্য) গ্রাসমান ০.৩৭৭।১৪ই নভেম্বর ২০১২ পূর্ণগ্রাস সূর্য্য গ্রহণ বাংলাদেশে অদৃশ্য গ্রাসমান ১.০৫২।২৪শে এপ্রিল ২০১২ বুধ গ্রহের রেবতী নক্ষত্রে সঞ্চার।২১শে এপ্রিল শনিবার অমবস্যা বিষকুম্ভযোগ।১০ই মে ২০১২ শুক্র গ্রহ বক্রী হবেন এবং ১১ই মে ২০১২ শনিবার বক্রগতি দ্বারা তুলা থেকে কন্যা রাশিতে সঞ্চার করবেন।৫ই মে ২০১২ রবিবার পূর্ণিমা ব্যতীপাত যোগ।১লা মে ২০১২ বৃহস্পতি গ্রহের সঞ্চার বৃষ রাশিতে।২০শে মে ২০১২ রবিবার অমবস্যা ৪ঠা জুন ২০১২ পুর্ণিমা সিদ্ধিযোগ ও চন্দ্র গ্রহণ ২৩ শে জুন ২০১২ শনিবার শনিগ্রহ বক্রত্যাগ করবেন।১৯শে জুন ২০১২ মঙ্গলবার অমবস্যা (ভৌমাবতী অমবস্যা) অতিগন্ডযোগ।

১৮ই জুলাই ২০১২ অমবস্যা ব্যাঘাত যোগে শুরু হবে।১৯শে জুলাই ২০১২ অমবস্যা বৃহস্পতিবার হর্ষনযোগে শেষ হবে।১২ই আগস্ট ২০১২ শনি গ্রহের তুলায় সঞ্চার এবং ১৫ই আগস্ট ২০১২ মঙ্গল গ্রহের তুলা রাশিতে সঞ্চার ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০১২ শনিবার অমবস্যা এবং ২৯শে সেপ্টেম্বর ২০১২ শনিবার পূর্নিমা।

৩০শে সেপ্টেম্বর ২০১২ বুধ শনি সংযোগ।২রা অক্টোবর ২০১২ মঙ্গলবার বৃহস্পতি গ্রহ বক্রী হবেন এবং শনি গ্রহের পশ্চিমে অস্তমিততা।১৩ই নভেম্বর ২০১২ মঙ্গলবার ভৌমাবতী অমবস্যা এবং সূর্য্যগ্রহণ।১১ই জানুয়ারী ২০১৩ শুক্রবার ব্যাঘাতযোগ।(বকুল অমাবস্যা)।৩রা ফেব্রুয়ারী ২০১৩ রাহু কেতুর সঞ্চার যথাক্রমে তুলা রাশিতে ও মেষ রাশিতে।১১ই মার্চ ২০১৩ অমাবস্যা সাধ্যযোগ, ২৭শে মার্চ ২০১৩ বুধবার দোলপূর্নিমা ও হোলি উৎসব।১১ই বৈশাখ ১৪১৯ ২৪শে এপ্রিল ২০১২ অক্ষয় তৃতীয়া মঙ্গলবার, রোহিনী নক্ষত্র অহোরাত্র, সৌভাগ্যযোগ গ্রহণনক্ষত্রের উল্লেখিত অবস্থানের ফলে বিশ্ব পরিস্থিতি অর্থাৎ বিশ্বে যা যা ঘটবে তা নিম্নরূপ।

বাংলাদেশ ১৪১৯ বাংলা

১৪১৯ বঙ্গাব্দে একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তি, চিকিৎসক, আইনজ্ঞ এবং প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী অকাল মৃত্যুর যোগ বিদ্যমান।

বাংলাদেশ ১৪১৯ বাংলা অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিল ২০১২ থেকে ১৪ই এপ্রিল ২০১৩ পর্যন্ত।উক্ত সময়ের মধ্যে যা যা ঘটবে তা নিম্নরূপ।(বিঃদ্রঃ) অনেক সম্মানিত পাঠক পাঠিকাবৃন্দের বিশেষ অনুরোধে গ্রহ নক্ষত্রের সঞ্চার, দৃষ্টি, বক্রী রূপধারণ উদয় অস্ত বিশ্বপরিস্থিতি থেকে বাদ দেওয়া হলো।বিশ্ব পরিস্থিতির গ্রহ নক্ষত্রের সার্ব্বিক অবস্থান উপর এ দেওয়া হলো।

সূক্ষ্ম ভাবে গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থান চিন্তা করলে ১৪১৯ বঙ্গাব্দে উৎফুল্ল হওয়া যায় না।সমগ্র বাংলাদেশে ব্যাপক নাশকতামূলক কার্য্য, জলে স্থলে অন্তরীক্ষে বহু ভয়াবহ দূর্ঘটনা, ঘূর্নিঝড় জলোচ্ছাস, বন্যা, অতিবৃষ্টি, অনাবষ্টি, অকাল বৃষ্টি, ছোট বড় ভূকম্পন, বড় বড় অগ্নিকান্ড নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি, মহামারী আকারে বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব, কোন নতুন ব্যধির আত্ম প্রকাশ, প্রায় দূর্ভিক্ষ, রাজনৈতিক সাম্প্রদায়িক বিরোধ তথা দাঙ্গা, সাধারণ স্বার্থসিদ্ধির নিমিত্ত খুন জখম, হৃদ, নদী, জলাশয় বিষাক্ত দ্রব্যের মিশ্রণ প্রভৃতির ফলে কঠিন রোগ ব্যাধি, ক্ষুদ্র বৃহৎ নতুন পুরাতন নির্ব্বিশেষে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তথা ধর্ম্মস্থানে উগ্রপন্থীয় তথাকথিত পরধর্ম অসহিষ্ণু শিক্ষাদান ও অস্ত্র বিস্ফোরক দ্রব্যাদির মজুত এবং গোপনে যত্র-তত্র পাচার ও ব্যবহার এক ভয়ঙ্কর অবস্থার সৃষ্টি করবে।দেশ নায়ক/নায়িকাগণ দূর ভবিষ্যতের মঙ্গল চিন্তা না করলে এবং সেইরূপ জাতির প্রকৃত মঙ্গল সাধনে প্রবৃত্ত না হয়ে শুধুমাত্র ভোট আরাধনায় মত্ত থাকলে কিংবা দিক ভ্রান্তের মত কর্মে ব্যাপৃত থাকলে অদূর ভবিষ্যতে জাতি ও দেশকে বহুমূল্য দিতে হবে।প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমন্ডিত এবং প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর আমার/আমাদের প্রিয় দেশটি জন্মলগ্ন হতেই দূর্ভাগ্যের শিকার।বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সমূহের ঘটে যাওয়ার ঘটনা কিংবা ঘটনা প্রবাহের প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশের----------বিস্তারিত জানতে নিচের লিঙ্ক এ ক্লিক করুন

http://www.rajeshshori.com/World-Forecast