বাস্তু আসলে কী ?

 
 
উত্তরঃ ‘বস্’‌ ধাতু ও ‘তৃণ্‌’ প্রত্যয় থেকে বাস্তু শব্দের উৎপত্তি।এর অর্থ গৃহনির্মাণের কলা যা মানুষের দ্বারা নির্মিত ঘরবাড়িকে প্রাকৃতিক সমস্যা থেকে রক্ষা করে।যার দ্বারা পঞ্চভূতের সমানুপাতিক সংযোগ ঘটিয়ে মানুষ শারীরিক শক্তি ও সুস্বাস্থ্য লাভ করতে পারে।এ ছাড়া ক্রমাগত মানসিক ভারসাম্যকে ঠিক রেখে নৈসর্গিক শক্তিকেও সে সমানে পেতে পারে।শারীরিক শক্তি ও সে সমানে পেতে পারে।শারীরিক শক্তিও যথার্থ মানসিক ভারসাম্যের কারণেই ধর্ম, বুদ্ধি ঐশ্বর্য লাভ হয়।সুতরাং, বাস্তু কোনও জাদুমন্ত্র নয়।এ হল প্রাকৃতিক শক্তি, পাঞ্চভৌতিক তত্ত্বগুলির যথার্থ সংমিশ্রণ ও কৃত্রিম জ্ঞানের ফলশ্রুতি।এর দ্বারা পরিচালিত হয়েই পাওয়া যায় বুদ্ধি, শান্তিময় জীবন ও সমৃদ্ধির পথ।যিনি এই জ্ঞান সঞ্চয়ের পরে বাস্তু অনুসরণ করে বাড়িঘর তৈরি করবেন ক্রমশ তিনি ওই সব সুফল পেতে থাকবেন।এটা প্রমাণিত সত্য।তাই ‘বাস্তু’ অনুসরণ করলে হাতে হাতে সুফল মিলবে।
 
বিভিন্ন পৌরাণিক গ্রন্থাদি অনুসারে চার রকমের বাস্তু আছে:
 
১।
ভূমিবাস্তু : যেমন ধরিত্রী মা, বিভিন্ন প্রকারের জমি।
২।
গ্রহবাস্তু : যেমন ছোট বাড়িঘর, বহুতলবিশিষ্ট বাড়ি, রাজপ্রাসাদ, মন্দির ও জলাশয়।
৩।
শয়নবাস্তু : যেমন শোওয়ার খাট, পালঙ্ক, বসার চৌকি।
৪।
যানবাস্তু : যেমন পালকি, রথ, বিভিন্ন বাহন।