ত্রৈলক্য মণি

ত্রৈলক্য মণি  ( TROILOKKO MANI )

দুষ্প্রাপ্য দুর্লভ মণি ( যাহা দেখতে  রত্নের মত ) যে কোন রত্ন অপেক্ষা কোটিগুন  কার্যকরী শক্তিশালী অভূতপূর্ব সুফল  প্রদানকারী।

সূর্যোদয়ের পর ঘোর অন্ধকার, যেমন দূরীভূত হয়ে চতুর্দিক আলোকিত করে, তদ্রুপ এই ত্রৈলক্য মণি রত্নটি   যে ব্যক্তির বাড়ীতে স্থাপন করা থাকবে অথবা সঙ্গে থাকবে  সে বাড়ীর সকল সদস্যের জীবনের অন্ধকার চিরতরে নাশ হয়ে যাবে। সুনাম, সুখ্যাতি, যশ, গৌরব, অর্থ,  বিত্ত, প্রভাব প্রতিপত্তি, আধিপত্য বিস্তার অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পাবে যা আপনাকে আশ্চর্যমণ্ডিত করে তুলবে তৎসঙ্গে স্ত্রী -সন্তান সহ  পরিবারের একাত্মতা সর্বদা বিরাজমান থাকবে। নতুন নতুন সম্পর্ক সৃষ্টি হবে ঠিক তদ্রুপ প্রতিনিয়ত অভাবনীয় ভাবে আকস্মিক সুযোগ সৃষ্টি করবে। মানুষের সাথে সু সম্পর্ক বজায় থাকবে। শত্রুগণ মিত্ররূপ ধারণ করবেন ও শত্রুজয় ঘটবে। মানুষের শ্রদ্ধার পাত্র  হবেন, সমাজে ব্যাপক ভাবে/ অত্যধিক  হারে  গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে। ব্যবসা ও সম্পদ আকস্মিক ক্ষতি হতে রক্ষিত থাকবে (By the grace of the Almighty ALLAH) রাজভাগ্য যোগ সক্রিয় হবে বিশেষ করে কেউ যদি রাজনীতিতে সচেষ্ট থাকেন।

ব্যবসা-বাণিজ্য কোথায় গিয়ে যে পৌছাবে যা কল্পনাও করা যায় না। গচ্ছিত অর্থাৎ নষ্ট হয়ে যাওয়া   সুনাম, সম্পদ, রক্ষা হবে এবং পুন: উদ্ধার হবে। রাজনীতির ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান দান করবেন। ত্রৈলক্য মণি রত্নটি  অতীব দূর্লভ বস্তু। বলতে গেলে পাওয়াই যায় না। বিশ্বের বড় বড় রাজন্যবর্গ পরিবারে,বড় বড় ব্যবসায়ীর বাড়ীতে এই পবিত্র ত্রৈলক্য মণি রত্ন থাকতে পারে বলে অনুমেয়।

উদাহরণ স্বরুপ- যদি একজন নিঃস্ব ব্যক্তির গৃহে এই ত্রৈলক্য মণি  (TROILOKKO MANI)  রত্নটি স্থাপন করা যায় তবে উক্ত ব্যক্তিও প্রাচুর্য্য ও বিত্তের অধিকারী হবেন সন্দেহ নাই।

ত্রৈলক্য মণি রত্ন  যার গৃহে স্থাপিত থাকবে সেখানে সর্বদাই চর্তুবর্গযোগ (অর্থ, মোক্ষ, কাম, সিদ্ধী) বিরাজ করবে।

মূল্য : সংগ্রহে আলোচনা সাপেক্ষে ।

ত্রৈলক্য মণি রত্নটির ওজন : ১৫- ২৫ গ্রাম, এর অধিক ওজনেরও পাওয়া যেতে পারে।

ত্রৈলক্য মণি রত্ন আংটিতে কিংবা লকেট করে গলাতে ,নারী পুরুষের  বাহুতে ব্যাবহারে অধিক মাত্রায় শুভ ফল পাওয়া যায় ।

ব্যবহার বিধি : ত্রৈলক্য মণি রত্নটি  নিজ বাড়ী বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অথবা নিজ দেহে ধারণ করার   মনস্থির করে থাকলে,  ত্রৈলক্য মণি রত্ন গ্রহনের পূর্বে,  ত্রৈলক্য মণি রত্ন   স্থাপনের / দেহে ধারনের  সময় এবং  ত্রৈলক্য মণি রত্নটি  স্থাপনের পর, দেহে ধারনের পর   বিশেষ করে স্থাপনের ২ মাসের মধ্যে বিশেষ বিশেষ কিছু বিধি বিধান মেনে চলা অতীব জরুরী বিধায়  ত্রৈলক্য মণি রত্নটি স্থাপন কিংবা দেহে ধারণ  সংক্রান্ত সকল প্রকার বিধি বিধান হাসান কবির নিজেই আপনাকে জানিয়ে দিবেন।

সার সংক্ষেপ : ত্রৈলক্য মণি রত্ন স্থাপনের পর হতে –

• সকল প্রকার অশুভ প্রভাব দূরীভূত হবে।

• কৃত ও বর্ষিত নষ্ট দুষ্টির(জাদু বান-টোনা) প্রভাব পূর্নাঙ্গরূপে বিনাশ হয়।

• হাজার চেষ্টা করেও কেউই বিন্দুমাত্র ক্ষতি সাধন করতে পারবে না।

• জ্ঞাত ও অজ্ঞাত পাপ নাশ হয়।

• পরিবারের সবার উন্নতি সাধিত হয়।

• স্ত্রী -সন্তান সহ  পরিবারের একাত্মতা সর্বদা বিরাজমান থাকবে।

• পরিবারের কর্ত্তাব্যক্তি ইচ্ছাধারী রূপ ধারণ করতে পারবেন।

• লোক ব্যবহার কৌশল অবলম্বণ করতে হবে না, মানুষ এমনিতেই বশীভূত হবেন।

• ব্যবসা ও সম্পদ আকস্মিক ক্ষতি হতে রক্ষিত থাকবে।

• যত বড়ই বাস্তু দোষ থাকুক না কেন তাহার কুপ্রভাব বাড়ীর কোনই ক্ষতি করতে পারবেনা ।

• রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে সর্বদাই সুপ্রভাবের ফলাফল দান করবেন।

• রাজভাগ্য যোগ সক্রিয় হবে বিশেষ করে কেউ যদি রাজনীতিতে সচেষ্ট থাকেন।

• পূর্ব পুরুষদের অভিশাপ ও বর্তমান অভিশাপ নাশ হয়।পুরো জীবন চিত্র পাল্টে দিতে সক্ষম যদি গৃহে / দেহে  ত্রৈলক্য মণি রত্ন   ধারণ /  স্থাপন করা থাকে।

সতর্কতা :

ক্রয় করুন বা নাই করুন এই রত্ন  সম্পর্কে কোন প্রকার অহেতুক মন্তব্য করবেন না প্লিজ। এতে আপনারই মঙ্গল নিহিত।

ছোটবেলা থেকে অর্থাৎ যখন থেকে জ্যোতিষ, বাস্তু, বিদ্যার চর্চা করছি তখন থেকে হাজার জনে হাজার প্রশ্ন করেছেন, এখনও করছেন, ভবিষ্যতে যে করবেন না এর কোন নিশ্চয়তা নেই। এক এক জনের একেক প্রশ্ন যেমন- মি: হাসান কি ভাবে দ্রুত ধনবান হওয়া যায়, এমন কি কোন রত্ন-পাথর আছে যা ধারণ করলে খুব শীঘ্রই ধনী হতে পারব? আচ্ছা মি: হাসান শুনলাম “নীলা” পাথর ধারণ করলে নাকি মানুষ রাতারাতি কোটিপতি হতে পারেন। উত্তর জানা স্বত্ত্বেও আমি নিশ্চুপ থাকি। কেননা প্রশ্নকর্তা/কত্রীর আর্থিক সামর্থ্য আমার জানা আছে। আবার অনেককেই বলতে শুনেছি অমুক ব্যাক্তিকে ( সামাজিক মর্যাদার কারণে নাম প্রকাশ করলাম না ) ১০ বৎসর আগে দেখলাম কিছুই ছিল না অথচ আজ হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক। মুচকি হাসি, উত্তর জানা স্বত্ত্বেও কিছুই বললাম না।

২০০৪ সালে একজন প্রভাবশালী ব্যাক্তি প্রশ্ন করল, আচ্ছা মি: হাসান অমুকের তো এম, পি, মন্ত্রী হওয়ার কথা নয় কিন্তু হলো কিভাবে? উত্তরে বললাম রাজভাগ্য যোগ না থাকলে মানুষ রাজা ( এম,পি, মন্ত্রী, রাষ্ট্রের কর্ণধার ) হতে পারেন না ঠিক তদ্রুপ অর্থভাগ্য যোগ না থাকলে মানুষ বিত্তবান হতে পারেন না। তবে রাজভাগ্য যোগ ও অর্থভাগ্য যোগ নিজ চেষ্টাতেই সৃষ্টি করতে হয়। অশুভ গ্রহ নক্ষত্রের প্রতিকার ছাড়া সম্ভব নয়। প্রভাবশালী বিত্তবান ব্যাক্তি উত্তরে সন্তুষ্ট হলেন।

২০০৯ সালে একজন খ্যাতনামা ব্যবসায়ী ব্যাক্তি প্রশ্ন করলেন অমুক ব্যাক্তি (সামাজিক মর্যাদার কারণে নাম প্রকাশ করলাম না ) ৬২ হাজার কোটি টাকার মালিক ছিলেন অথচ তাহার মৃত্যুর পর সন্তানরা পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তি নাশ করতে শুরু করলেন । উত্তরে বললাম --   সম্পদ উপার্জন করা যেমন বৃহৎ কর্ম তদ্রুপ উক্ত সম্পদকে যুগ যুগ শত শত বৎসর পর্যন্ত যারা রক্ষা করতে পেরেছেন তাহারা এমন কোন বৃহৎ প্রতিকার নিয়েছেন যা আজও তাদের সম্পদ রক্ষা করে যাচ্ছেন। যতদিন ঐ বৃহৎ প্রতিকার বস্তু/দ্রব্য থাকবে ততদিন তার সম্পদ রক্ষা হবে। আর যারা সম্পদ উপার্জন করেছেন বটে কিন্তু ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভাবেননি, সম্পদ রক্ষার জন্য কোন প্রতিকার দ্রব্য/বস্তু গৃহে রেখে যাননি তাদের সম্পদ তো নাশ হবেই। কেননা তাহারা সম্পদ ঠিকই উপার্জন করেছেন কিন্তু মানসিক শান্তি ও স্বস্তিতে ছিলেন না, যাতে করে বর্তমান সময়ে ধন সম্পদ উপার্জন করা যাবে, মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারও উপার্জন করতে পারবেন, শত শত বৎসর ধরে ধন সম্পদ রক্ষা করতে পারবেন তার জন্যই বৃহৎ প্রতিকার নেওয়া --- সচেষ্ট, সচেতন মানুষের প্রয়োজন। আরও বললাম একজন ব্যাক্তিকে যত বড় হতে হবে তাঁকে তত বড় প্রতিকার ব্যবস্থাও নিতে হবে। যে কোন দেশের রাষ্ট্র প্রধানের প্রতিকার ( নিরাপত্তা) আর একজন সচিবের প্রতিকার কিন্তু এক নয়। আমি লক্ষ্য করেছি প্রায় মুসলমান বলে থাকেন – আল্লাহ্ যা করেন ভালর জন্যই করেন। আমি স্বীকার করি কেননা আমিও মুসলমান। কিন্তু আল্লাহ্ তো সূরা আর-রাহমান এ বলেছেন, তোমরা আমার (আল্লাহ্) কোন কোন নেয়ামতকে অস্বীকার করবে।

আমরা কথায় কথায় আল্লাহ্-র দোহাই দিতে পারি কিন্তু চেষ্টা করি না। আমাদের মুসলমানদের (নামমাত্র)

অবস্থা এমনই যে

• ঘর আছে কিন্তু আলো নেই।

• ফুল আছে কিন্তু ঘ্রাণ নেই।

• ভাগ্যে আছে কিন্তু কর্মে নেই।

• মনে আছে কিন্তু প্রকাশ নেই।

• প্রয়োজন আছে কিন্তু উদ্দীপনা নেই ।

• মানুষ বটে কিন্তু সুশিক্ষা নেই।

• চাঞ্চল্য আছে কিন্তু সংযম নেই ।

• নৈরাশ্য আছে কিন্তু নিজের উপর আস্থা নেই।

• বহু উপার্জন আছে কিন্তু সঞ্চয় নেই ।

• কষ্ট আছে কিন্তু আরাম নেই।

• অশান্তি আছে কিন্তু শান্তি নেই।

কেননা আমাদের বিশ্বাসটা অনেক সময় অবিশ্বাসকেও হার মানায়। গঙ্গাঁ নদী হিন্দুদের, যমুনা, স্বরস্বতী,  নদী,  হিন্দুদের এমন কথাও শোনা যায়। গঙ্গাঁ, যমুনা, স্বরস্বতী, ফোরাত, নীল নদ, আমাজন বা পদ্মা, মেঘনা নদী নির্দ্দিষ্ট কোন ধর্মের জন্য নয়। জগতের সব সৃষ্টি আল্লাহ্ রাব্বুল আল-আমীন সৃষ্টি করেছেন মানব জাতির কল্যানের জন্য। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খৃষ্টান বা ইহুদী ধর্মালম্বীদের কথা শুধু আমরা বলে থাকি ,কোরআন শরীফ বা হাদীস শরীফ তা প্রমান করেন না।

আশা করি আমার এই উদাহরণ থেকে লিখা ‘’ ত্রৈলক্য মণি রত্ন’’ ( TROILOKKO MANI ) সম্পর্কে আপনি ভালভাবে বুঝতে সক্ষম হবেন।

* কেননা পথ সকলের এক নয় চমৎকৃত পথটিই সবার কাম্য।

বিঃ দ্রঃ সৃষ্টিকর্তার সৃষ্ট বহু রহস্য যা কারিশমা / মিরাকল রুপে পৃথিবীতে বিদ্যমান। ত্রৈলক্য মণি রত্ন  ( TROILOKKO MANI ) তেমনি একটি দুষ্প্রাপ্য – দুর্লভ কারিশমা স্বরুপ (সুবহানাল্লাহ )

ইহা সহজলভ্য কোন জিনিস/বস্তু  নয় বিধায় খরচ বহনযোগ্য সামর্থ্যবান ইচ্ছুক ব্যক্তি ব্যতিত অন্যদের যোগাযোগ না করার জন্য অনুরোধ রইল।

Email : info@rajeshshori.com